কবি হেলাল হাফিজের দুটি জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চ প্রাঙ্গণে প্রথম অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ কবির পরিবার, ভক্ত-অনুরাগীসহ বিশিষ্টজনরা জানাজায় অংশ নেন।
এরপর বাদ জোহর জাতীয় প্রেসক্লাবে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় কবির পরিবার, ভক্ত-অনুরাগী সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। এই দিন মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সুপার হোম নামে শাহবাগের একটি হোস্টেলে মারা যান কবি হেলাল হাফিজ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গ্লুকোমায় আক্রান্ত ছিলেন। পাশাপাশি কিডনি জটিলতা, ডায়াবেটিস ও স্নায়ু জটিলতায় ভুগছিলেন।
কবির ছোট ভাই নেহাল হাফিজ বলেন, ‘দাদার কবিতা, চরিত্র ও ব্যক্তিত্ব একাকার ছিল। ওনার অকালমৃত্যুতে আমরা পরিবারের একজন সদস্য হারালাম, সেই সঙ্গে সাহিত্যজগতে একটি নক্ষত্র হারালাম।’
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের নেতৃত্বে একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রয়াত কবির মরদেহে ফুলেল শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আতাউর রহমান, কবি রফিক আজাদ স্মৃতি পরিষদ, প্রকাশনা সংস্থা ঐতিহ্য, নান্দিকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ সময় প্রয়াত কবির পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কবি হেলাল হাফিজ দীর্ঘদিন ধরে গ্লুকোমায় আক্রান্ত ছিলেন। পাশাপাশি কিডনি জটিলতা, ডায়বেটিস ও স্নায়ু জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত সুপার হোমের বাথরুমে পড়ে গিয়ে রক্তক্ষরণ হয় হেলাল হাফিজের। পরে তাঁকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। প্রেসক্লাবে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।